1. admin@dainikhabigonjeralo.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০১:০৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
আজমিরীগঞ্জে জনসাধারণের নিরাপত্তার জন্য মাঠে নামছে উপজেলা প্রশাসন পবিত্র মাহে রমজান ও নববর্ষ উপলক্ষে দৈনিক হবিগঞ্জের আলো পত্রিকা পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসী সহ সকল প্রতিনিধি, পাঠক ও কলাকৌশলীদেরকে শুভেচ্ছা পবিত্র মাহে রমজান ও বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দৈনিক হবিগঞ্জের আলো পত্রিকার প্রধান সম্পাদ ও এইচ বাংলা টিভির চেয়ারম্যান এবং ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল নোমান পবিত্র মাহে রমজান ও বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন’ সাবেক ছাত্রনেতা মাসুদ দুলাল ২কেজি ৫০০গ্রাম গাঁজা ও নগদ ৬৯হাজার ৬শত ৩০টাকা সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বগুড়ার আদমদীঘি ও সান্তাহারে মাদকবিরোধী অভিযানে ৭ মাদকসেবীকে আটক চুনারুঘাটে শ্রীশ্রী গীতা পাঠ ও ধর্মীয় আলোচনা সভা ৫৩৪টি পরিবারের মাঝে দুই দিন যাবৎ সেহরী ও ইফতারের সামগ্রী বিতরণ নবীগঞ্জে রমজানের উপহার সামগ্রী বিতরণ নাটোরের বড়াইগ্রামে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে তিনটি দোকানে অগ্নিকান্ড \ কোটি টাকার ক্ষতির দাবী

২০২১ স্বাধীনতা পদকে মনোনীত হলেন ভাওয়ালবীর শহিদ আহসান উল্লা মাষ্টার এমপি

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিত : সোমবার, ৮ মার্চ, ২০২১
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

মোঃ নুরুজ্জামান শেখ (টঙ্গী গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ

জাতীয় পর্যায়ের গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার ২০২১ সালের স্বাধীনতা পদক পেলেন। রবিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ২০২১ সালের স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত নয় জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠান নাম ঘোষণা করা হয়েছে। পদকপ্রাপ্তদের তালিকা- ১. মরহুম এ কে এম বজলুর রহমান (স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ) ২. শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার (স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ) ৩. মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খুরশিদ উদ্দিন আহমেদ (স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ) ৪. মরহুম আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু (স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ) ৫. ড. মৃন্ময় গুহ নিয়োগী (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি) ৬. মহাদেব সাহা (সাহিত্য) ৭. আতাউর রহমান (সংস্কৃতি) ৮. গাজী মাজহারুল আনোয়ার (সংস্কৃতি) ৯. অধ্যাপক ডা. এম আমজাদ হোসেন (সমাজসেবা/জনসেবা) ১০. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (গবেষণা ও প্রশিক্ষণ)। বাংলাদেশের জাতীয় এবং “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”। দেশ ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদাণ করা হচ্ছে। আহসানউল্লাহ মাস্টার ১৯৫০ সালের ৯ নভেম্বর গাজীপুর পুবাইল ইউনিয়নের হায়দরাবাদ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৫ সালে এসএসসি পাস করে তৎকালীন কায়েদে আযম কলেজে (বর্তমান শহীদ সোহরাওয়ার্দী সরকারি কলেজ) একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হন। ১৯৭০ সালে ডিগ্রি পাস করার পর আহসানউল্লাহ টঙ্গীর নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া হাইস্কুলে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীকালে তিনি ওই বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক (১৯৭৭-১৯৮৪) ও প্রধান শিক্ষকের (১৯৮৪-২০০৪) দায়িত্ব আমৃত্যু পর্যন্ত পালন করেন। আহসানউল্লাহ মাস্টার টঙ্গী শিক্ষক সমিতির সভাপতি হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। আহসানউল্লাহ মাস্টার ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে যাওয়ার আগে তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে আটক ও নির্যাতিত হয়েছিলেন। ভারতের দেরাদুনের তান্দুয়া থেকে গেরিলা ট্রেনিং নিয়ে পুবাইল, টঙ্গী, ছয়দানাসহ বিভিন্ন জায়গায় গেরিলা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ জয়দেবপুরের ক্যান্টনমেন্টের বাঙালী সৈন্যদের নীরস্ত্র করতে ঢাকা থেকে আসা পাকিস্তানী বাহিনীকে ব্যারিকেড দিয়ে বাধা দেয়ার জন্য জনতাকে উদ্বুদ্ধ করার কাজে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং ডাক দেন বাংলাদেশকে শত্রুমুক্ত করার। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে যাওয়ার আগে তিনি পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আটক হন এবং নির্যাতিত হন। আহত অবস্থায় আহসান উল্লাহ মাস্টার মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ভারতের দেরাদুনের তান্দুয়া থেকে গেরিলা ট্রেনিং নিয়ে ডাঙ্গা, পুবাইল, টঙ্গী, ছয়দানাসহ বিভিন্ন স্থানে গেরিলাযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৬২ সালে হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশন-এর বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে রাজনীতিতে তাঁর হাতেখড়ি। তখন তিনি ছাত্রলীগ করতেন। ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধুঘোষিত বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফা দাবি নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা যখন রাজপথে, তখনো আহসানউল্লাহ সক্রিয়ভাবে আন্দোলনে অংশ নেন। ১৯৬৯ সালে ১১ দফার আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন তিনি।১৯৮৩ সালের পুবাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচন থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ—প্রতিটি নির্বাচনে তিনি জয়ী হয়েছেন বিপুল ভোটে। ১৯৮৮ সালে পুবাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এর আগে তিনি ওই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এ ছাড়া আহসানউল্লাহ মাস্টার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) চেয়ারম্যান ছিলেন। তাঁর জ্যেষ্ঠ ছেলে মো. জাহিদ আহসান রাসেল বর্তমানে জাতীয় সংসদের সদস্য এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতি মন্ত্রী।যিনি বাবার মত কর্মীবান্ধব সৎ ও যোগ্য উত্তরসূরি। ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুর-২ আসনের আওয়ামী লীগের সাংসদ ও জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি পদে আসীন থাকাকালীন সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে নিহত হয়েছেন এই মহামানব ভাওয়াল রত্ন দলের কান্ডারী আহসানউল্লাহ মাস্টার। এ ঘটনার পরদিন তাঁর ভাই মতিউর রহমান টঙ্গী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় ২০০৪ সালের ১০ জুলাই পুলিশ অভিযোগপত্র দায়ের করে। ঢাকার একটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল ২২ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। খালাস দেওয়া হয় দুই আসামিকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত