1. admin@dainikhabigonjeralo.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এ আর হারুন অর রশিদ বাঘ বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উদযাপন করতে আহবান জানান আবুল হাসেম রতন ইসরায়েলি বর্বরতা কদরের রাতে জেরুজালেমে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মানবতার ফেরিওয়ালা মোহাম্মদ দিলু তালুকদার বীরগঞ্জে বজ্রপাতে এক মহিলার মৃত্যু টেক্সাসে লোকালয়ে বাঘ- গ্রেফতার সন্দেহভাজন মালিক সাংবাদিক শাহ মাইনুল হাসান খোকনের পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা জাগ্রত তরুণ সোসাইটি মাধবপুর সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা গলাচিপায় গরু চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা সম্প্রতি চীনা রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য কূটনৈতিক শিষ্টাচার পরিপন্থী -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি

বীরগঞ্জে করোনার প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

মোঃ নাজমুল ইসলাম, বীরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

মহামারী করোনার কবলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ভিবিন্ন এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের এমনই অভিযোগ।

২৭’ এপ্রিল (মঙ্গলবার) বীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীক নেতারা জানান, গত বছর দীর্ঘ লকডাউনে ব্যবসায় অনেক আর্থিক ক্ষতি হইছে সেই লোকসান এখনো পুষিয়ে উঠতে পারেনি ব্যবসায়ীরা। এছারা দেশে দ্বিতীয় বারের মতো এবছর ১৪ এপ্রিল থেকে টানা সাতদিন কঠোর লকডাউন থেকে বাড়িয়ে তা ২৮ এপ্রিল মধ্যে রাত অবধি বাড়ানো হয়েছে।

এসময় সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, পোশাক কারখানা, শপিংমল, খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সহ কিছু শিল্প কারখানা চালু থাকলেও হাটবাজার চলছে সিমিত পরিসরে। এছাড়া বন্ধ রয়েছে স্কুল কলেজ, দোকানপাট, ও গণপরিবহন। এতে ভোগান্তির শেষ নেই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের।

বীরগঞ্জ উপজেলার ১০নং মহোনপুরের লাটের হাঁট বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সভাপতি ডাঃ মোঃ রবিউল ইসলাম সহ বিভিন্ন জনের সাথে হলে তারা জানান, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রতিমাসে প্রায় ১৫-২০ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে, সরকার পোশাক কারখানার মতো তাঁদেরও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা করার সুযোগ করে দিতে সরকারের কাছে আহবান জানান। তারা আরো বলেন ব্যবসায়ীরা বছরে দুই ঈদকে সামনে রেখে সারা বছরের প্রায় ষাট ভাগ বেচাকেনা করে থাকেন। ঈদকে কেন্দ্র করে লক্ষ লক্ষ টাকার কাপর কিনে টেইলার্সের মাধ্যমে পোশাক তৈরি করেন। ইতিমধ্যে তৈরি পোশাক তৈরি করতে না পারায় লোকসানের আশংকা করছেন ব্যবসায়ীরা, সীমিত পরিসরে শপিংমল খুলার অনুমতি দিলেও গণপরিবহন চলাচল না করায় কোন পাইকার আসতে পারছেনা। এতেকরে লকডাউন এর পূর্বে তৈরি করা পোশাক বিক্রয় করতে না পারায় মূলধন আটকে আছে এসব ব্যবসায়ীদের।এছাড়া সরকার থেকেও কোন রকম আর্থিক সহায়তা পাচ্ছেনা।

লকডাউনে কাজ করতে না পেরে অসংখ্য শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে অনেকে পরিবার নিয়ে অতিকষ্টে দিন অতিবাহিত করছে। এছাড়া ব্যবসায়ীদের দোকান ভাড়া ও এনজিও ঋণের চাপে দিশেহারা হয়েপড়েছে খেটেঁ খাওয়া শ্রমজীবী মানুষেরা। ব্যবসায়ীদের দাবী সরকার বৈষম্য দূর করে ব্যবসায়ে সমতা তৈরি করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা করার জন্য জোর আবেদন জানান ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত