1. admin@dainikhabigonjeralo.com : admin :
শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের বাস্তবায়নে ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে দূর্গা মন্দিরের নির্মান কাজের উদ্বোধন মাধবপুরে প্রবাসী একতা সমাজ – সেবা সংগঠনের পক্ষ থেকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ হবিগঞ্জের মাধবপুরের ছাত্রনেতার পক্ষ থেকে ৫০০টি হত দরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার বিতরণ টঙ্গীতে হাসান উদ্দিন এর উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্টিত নবীগঞ্জে দিলু তালুকদারের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নীলফামারীতে গাছ চাপায় স্বামী-স্ত্রী ও বর্জ্রপাতে এক নারী নিহত জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে লালপুরে ছোট ভাইয়ের হতে বড় ভাই খুন,আটক-৫ অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্য বিধি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ফেরী কুষ্টিয়ায় সেফটি ট্যাংকের ভিতরে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

চুনারুঘাটে রমজানের শুরু থেকেই কলার বাজারে আগুন

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মাসুদ আলম চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ-

পবিত্র মাহে রমজানুল মোবারক মাসে ইফতারি ও সেহরির অন্যতম অনুষঙ্গ কলার দাম যেন আকাশ ছুঁয়েছে,চুনারুঘাট উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার গুলোতে। রোজা শুরুর আগে বড় আকারের কলা বিক্রি হয়েছে প্রতি হালি ২০ টাকা। অথচ রোজার প্রথম দিন থেকে এক লাফে বাজারে কলার দাম হালি প্রতি ৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়।

প্রতিটি কলার দাম পড়ছে ১৩ টাকা। আর মাঝারি ও ছোট আকারের কলা বিক্রি হচ্ছে ৮ টাকা পিস,এতে ওই কলার হালি পড়ছে ৩২ টাকা। আকাশছোঁয়া দামের কারণে কলার দিকে তাকাতে পারছেন না নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা। আবার এই দামেও বাজারে কলা পাওয়া যেন দুষ্প্রাপ্য হয়ে পড়েছে।

কলার দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা সরবরাহ কমের কথা বলছেন। তবে ক্রেতাদের দাবি,রমজানের আগেও বাজারে কলার সরবরাহ পর্যাপ্ত ছিল। রমজানে দাম বাড়ানোর উদ্দেশ্যে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন ব্যবসায়ীরা।

কলা ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় বাজারে কলার দাম বেশি। তাই বাইরে থেকে কলা আমদানি করা হচ্ছে। ফলে বিক্রি করতে হচ্ছে বেশি দামে। এ ছাড়া রমজানে পরিবহন ভাড়া ও লেবারদের অতিরিক্ত খরচের কারণে কলার দাম বাড়ে।

চুনারুঘাট বাজারে কলা কিনতে আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ক্রেতা বলেন,রমজান এলে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কলার দাম বাড়িয়ে দেয়। এবার তার মাত্রা বেশি বেড়ে গেছে। যার কারণে ছোট আকারের কলার প্রতি হালি ২৫ টাকা করে কিনতে হচ্ছে। বড় আকারের কলা ৫০ টাকা হালি,নিচে দিচ্ছে না। তিনি বলেন, কলার এত দাম কেউ কখনো আগে দেখেনি। কলার এত দাম হাওয়ার কথা নয়। রমজানে বাজার মনিটরিংয়ের অভাবে সুযোগ নিচ্ছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী।

অপর এক ক্রেতা বলেন, রাতে সেহরির খাবারে দুধ-কলা ছাড়া যেন চলেই না।তাই,কলার চাহিদা বেশি। এ সুযোগে ব্যবসায়ীরা কলার দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ইচ্ছে মতো। আমরা অসহায় ক্রেতারা বেশি দামেই কলা কিনতে বাধ্য হচ্ছি। এবার রমজানে কলার দাম দিগুণ বেড়েছে।

কয়েক জন ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, রমজান এলে ব্যবসায়ীরা কলার দাম বাড়িয়ে দেয়। এমন চড়া দামে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ তো দূরের কথা, মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরে চলে যায় কলা।
বেশি দাম দিয়েও বাজারে ভালো কলা পাওয়া যাচ্ছে না। বাজারে কলা দুষ্প্রাপ্য হয়ে গেছে। কলা নিয়ে অন্যরকম এক কারসাজিতে মেতে উঠেছে চুনারুঘাটের কলা ব্যবসায়ীরা।

সাধারণ ক্রেতারা বলেন,রমজান মাস আসলে দেশে পাকা কলার কদর বেড়ে যায়। কারণ সেহরিতে কলা অন্যতম একটি অনুসঙ্গ। আর রোজাদারদের এমন চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে অধিক মুনাফা লুটছেন বিক্রেতারা।

তারা আরও বলেন,বিশ্বের সব দেশেই পবিত্র মাহে রমজানুল মোবারক এর মাসে পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসেন ব্যবসায়ীরা। যাতে রোজাদাররা ভালোভাবে রোজা পালন করতে পারেন।কিন্তু আমাদের দেশে উল্টো। রোজার আগের দাম কম থাকলেও রোজার আসতে না আসতেই দাম বাড়ায়।

রমজান মাসে সব জিনিসের দাম অনেক বেড়ে যায়, যার ফলে মধ্য-নিম্ন আয়ের মানুষ বড়ই অসহায় অবস্থায় আছে। এখন সব জিনিসের দাম অন্য সময়ের চেয়ে বেশি। সাধারণ মানুষ ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি। প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত