1. admin@dainikhabigonjeralo.com : admin :
শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের বাস্তবায়নে ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে দূর্গা মন্দিরের নির্মান কাজের উদ্বোধন মাধবপুরে প্রবাসী একতা সমাজ – সেবা সংগঠনের পক্ষ থেকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ হবিগঞ্জের মাধবপুরের ছাত্রনেতার পক্ষ থেকে ৫০০টি হত দরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার বিতরণ টঙ্গীতে হাসান উদ্দিন এর উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্টিত নবীগঞ্জে দিলু তালুকদারের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নীলফামারীতে গাছ চাপায় স্বামী-স্ত্রী ও বর্জ্রপাতে এক নারী নিহত জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে লালপুরে ছোট ভাইয়ের হতে বড় ভাই খুন,আটক-৫ অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্য বিধি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ফেরী কুষ্টিয়ায় সেফটি ট্যাংকের ভিতরে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

পথে থাকা সঞ্জু এখন মায়ের আন্ধার ঘরের বাতি

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

মোঃ নুরুজ্জামান শেখ টঙ্গী গাজীপুর প্রতিনিধিঃ

২০১০ সালে টংগীতে শিশু পল্লী প্লাসের মাধ্যমে আমি ( মোঃ জাহিদ হোসেন সুমন) যখন কাজ শুরু করি তখন পরিচয় সঞ্জু (ছদ্ম নাম), তার ভাই আর মায়ের সাথে। বাবা হীন এই অসহায় পরিবারটি কে রাস্তা থেকে পরিবারটির নিজ জেলা কিশোরগন্জ জেলার ভৈরব থানার কালিকা প্রশাদ গ্রামে এ নিয়ে যাওয়ার পিছনে অবদান ছিলো শিশু পল্লী প্লাস এবং টঙ্গী প্রজেক্ট শিশু পল্লী প্লাসের কো-অর্ডিনেটর আসলাম হোসেন খান এর। গ্রামের স্কুলে পড়াশোনা খরচ দেয় শিশু পল্লী প্লাস।পরে এক সময় তা বন্ধ হয়ে গেলে এগিয়ে আসে চেইঞ্জ দ্যা লাইভস্ এবং ডাক্তার শামিমা ও সাইফুল ইসলাম ।অনেক বছর পড়ালেখায় সাহায্য পায় সঞ্জু। সিসিপির প্রয়াত প্রিয় নুরুল হক স্যার সাহায্য করেন এক সময়। সঞ্জুর ভাই পড়ালেখা করতে না চাওয়ায় তাকে তার মামার নিকট কারিগরি শিক্ষার জন্য ব্যবস্থা করা হয়।

সঞ্জুর স্কলারশিপ ফান্ড বন্ধ হয়ে গেলে পরবর্তীতে যাকাত ফান্ড থেকে তাকে পড়াশোনায় সাহায্য করা হয়।

সে এই বছর এইচ এস সি তে এ মাইনাস পেয়ে কমার্স থেকে পাশ করেছে।

সমস্যায় আছে জেনে সাহায্য পাঠিয়ে তার সাথে আজ কথা হল। সে বললো মা অসুস্থ। কাজ করতে পারে না। ভাই ভব ঘুরের মত ঘুরে বেড়ায়। সে এক গার্মেন্টসে কাজ নিয়েছে পরিবার চালানোর জন্য। আমি বলেছি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে।আমি সাহায্য করবো। সে বললো যে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে ম্যানেজমেন্ট এ অনার্সে এ ভর্তি হবে।লেখাপড়া শেষ করে বড় চাকরি নিবে,মায়ের মুখে হাসি ফুটাবে। সেই ছোট মেয়েটি আজ মায়ের বাঁচার একমাত্র অবলম্বন, কত দায়িত্ববান সে।

এ রকম অনেক সঞ্জু এগিয়ে যাচ্ছে যাকাত ফান্ডের মাধ্যমে।

একেই বলি আমি সঠিক পরিবর্তন। যাকাতের টাকা শিক্ষা খাতে ব্যবহার হলে অনেক অসহায় মানুষ এর জীবন বদলে যাবে। হয়তো তা অনেক সময় লাগবে। কিন্তু যাকাতের লুঙ্গি,শাড়ি এসব দেওয়ার চেয়ে অনেক ভালো। শত শত মানুষ এর সাময়িক লাভের চেয়ে একজন মানুষ এর জীবন বদলে নেয়ার দায়িত্ব নেন, সে এক সময় অন্য অসহায় কে যাকাত দিবেন।সবার একতাবদ্ধ তায় সোনার বাংলাদেশ গড়ে উঠুক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত