1. admin@dainikhabigonjeralo.com : admin :
শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৮:২৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের বাস্তবায়নে ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে দূর্গা মন্দিরের নির্মান কাজের উদ্বোধন মাধবপুরে প্রবাসী একতা সমাজ – সেবা সংগঠনের পক্ষ থেকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ হবিগঞ্জের মাধবপুরের ছাত্রনেতার পক্ষ থেকে ৫০০টি হত দরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার বিতরণ টঙ্গীতে হাসান উদ্দিন এর উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্টিত নবীগঞ্জে দিলু তালুকদারের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নীলফামারীতে গাছ চাপায় স্বামী-স্ত্রী ও বর্জ্রপাতে এক নারী নিহত জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে লালপুরে ছোট ভাইয়ের হতে বড় ভাই খুন,আটক-৫ অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্য বিধি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ফেরী কুষ্টিয়ায় সেফটি ট্যাংকের ভিতরে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

কলামিস্ট, প্রাবন্ধিক, লেখক ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ আর নেই

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৯২ বার পড়া হয়েছে

ষ্টাফরিপোর্টারঃ

  • কলামিস্ট, প্রাবন্ধিক, লেখক ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ মারা গেছেন। তার ছেলে সৈয়দ নাসিফ মকসুদ জানান, মঙ্গলবার বিকালে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তার বাবাকে স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসকরা সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

আবুল মকসুদের পারিবারিক বন্ধু ও ব্র্যাকের অভিবাসন বিষয়ক কর্মসূচির প্রধান শরীফুল হাসান বলেন, “এখন মরদেহ স্কয়ার হাসপাতালে আছে। দাফনের ব্যাপারে পারিবারিক সিদ্ধান্ত হয়নি।”

বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাওয়া আবুল মকসুদ পরিচিত ছিলেন সমাজ, সংস্কৃতি ও রাজনীতির সমসাময়িক ঘটনাবলী নিয়ে সংবাদপত্রে লেখা কলাম এবং গবেষণামূলক প্রবন্ধের কারণে। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই লেখকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

১৯৪৬ সালের ২৩ অক্টোবর মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার এলাচিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দ আবুল মকসুদ। ১৯৬৪ সালে এম আনিসুজ্জামান সম্পাদিত সাপ্তাহিক নবযুগ পত্রিকায় তার কর্মজীবন শুরু হয়।

পরে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি সমর্থিত সাপ্তাহিক ‘জনতা’য় কাজ করেন কিছুদিন। ১৯৭১ সালে যোগ দেন বাংলাদেশ বার্তা সংস্থায়। ২০০৮ সালের ২ মার্চ তিনি সেখানকার সম্পাদকীয় বিভাগের চাকরি ছেড়ে দেন।

পত্রিকায় ‘সহজিয়া কড়চা’ এবং ‘বাঘা তেঁতুল’ শিরোনামে কলাম লিখে পরিচিত পান সৈয়দ আবুল মকসুদ। তার সাহিত্যচর্চার শুরু হয় ষাটের দশকে, কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ দিয়ে।

১৯৮১ সালে তার কবিতার বই ‘বিকেলবেলা’ প্রকাশিত হয়। ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত হয় তার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘দারা শিকোহ ও অন্যান্য কবিতা’। মানবাধিকার, পরিবেশ, সমাজ ও প্রেম নিয়েও তিনি লিখেছেন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বুদ্ধদেব বসু, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মত প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদদের জীবনী ও কর্ম নিয়ে গবেষণা করেছেন আবুল মকসুদ।

আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে নিয়ে তিনি লিখেছেন ‘মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাষানীর জীবন, কর্মকাণ্ড, রাজনীতি ও দর্শন (১৯৮৬) ও ভাসানী কাহিনী’। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহকে নিয়ে লিখেছেন ‘সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জীবন ও সাহিত্য’ , ‘স্মৃতিতে ওয়ালীউল্লাহ’।

এছাড়া বিভিন্ন সময়ের সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বিভিন্ন বিষয়ে তার পর্যবেক্ষণ এসেছে পত্রিকায় প্রকাশিত তার কলামগুলোতে।

আবুল মকসুদের লেখা বইয়ের সংখ্যা চল্লিশের বেশি। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৯৫ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।

সৈয়দ আবুল মকসুদ স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত